মসজিদে আল ইজাবা
আজ শুক্রবার। পবিত্র জুমাবার। আজকের বিষয় ‘মসজিদে আল ইজাবা’। শীর্ষবিন্দু পাঠকদের জন্য এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ‘ইসলাম বিভাগ প্রধান’ ইমাম মাওলানা নুরুর রহমান।
এই মসজিদটি মক্কা নগরীর মাআবাদা এলাকায় অবস্থিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) এখানে মাগরিবের নামাজ আদায় করেছিলেন বলে বর্ণিত আছে। ধারণা করা হয়, মসজিদটি হিজরি তৃতীয় শতকে নির্মিত হয়। সর্বশেষ মূল কাঠামো ভেঙে নতুন করে নির্মাণ করা হয় ১৩৯৪ হিজরিতে। আধুনিক নকশায় নির্মিত মসজিদটির আয়তন বর্তমানে প্রায় ৪০০ বর্গমিটার।
মসজিদ আল-ইজাবা। মদিনার ‘বুস্তানুল সাম্মাম’-এর কাছে দোয়া কবুলের এ মসজিদটি অবস্থিত। এ মসজিদে অবস্থানকালে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের করা দোয়া কবুল হয়েছিল।
এ মসজিদটি বনি মুয়াবিয়া কিংবা আল-মুবাহালাহ নামেও সমধিক পরিচিতি। দোয়া কবুল হওয়ার কারণে এটি মসজিদ আল-ইজাবাহ বা দোয়া কবুলের মসজিদ হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে।
মসজিদের এ জায়গার মালিক ছিলেন মদিনার আল-আওস গোত্রের হজরত মুয়াবিয়া ইবনে মালিক ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহু।
মসজিদটি প্রসিদ্ধ হওয়ার কারণ একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বুস্তানুল সাম্মাম-এর কাছে অবস্থিত এ মসজিদে বসে আল্লাহর কাছে ৩টি দোয়া করেছিলেন। যার মধ্যে ২টি দোয়া কবুল হয়েছিল। আর তাহলো। প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের গোটা উম্মত যেন দুর্ভিক্ষে ধ্বংস হয়ে না যায়। গোটা উম্মত যেন পানিতে ডুবে ধ্বংস হয়ে না যায়। এ দোয়া দু’টি আল্লাহ কবুল করে নন।
পরিদর্শনের নির্দেশিকা
• পরিদর্শকদের বিনম্র ও সম্মানজনক পোশাক পরিধান করা উচিত কারণ এটি একটি সক্রিয় উপাসনালয়।
• অমুসলিমদের প্রবেশের নীতিমালা নিশ্চিত করতে হবে, কারণ কিছু ধর্মীয় স্থান মেক্কায় প্রবেশ সীমিত করে।
• প্রার্থনা করার আগে ওয়াশ করুন এবং উপাসনালয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে শান্ত থাকুন।
• ছবি তোলা সীমিত হতে পারে; প্রয়োজন হলে অনুমতি নিন।
• প্রার্থনা সময়ের বাইরে ভ্রমণের পরিকল্পনা করুন যেন শান্তিপূর্ণ অভিজ্ঞতা হয়।
নিকটবর্তী স্থানসমূহ
• মসজিদ আল-হারাম — কাবা ঘিরে থাকা বৃহৎ মসজিদ।
• মিনা — হজের সময় পুণ্যকর্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
• হিরা গুহা — আধ্যাত্মিক উপবাসের গুহা যেখানে revelations শুরু হয়েছিল।
• আল-মআবাদা এলাকা — ঐতিহাসিক পাড়া যা মেককার ঐতিহ্য সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি দেয়।
