লন্ডন : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০১:২২ পূর্বাহ্ন

মাশআরে হারাম মসজিদ

মাশআরে হারাম মসজিদ

মাশআরে হারাম মসজিদ


প্রকাশ: ০৫/০২/২০২৬ ১০:০০:৪১ অপরাহ্ন

আজ শুক্রবার। পবিত্র জুমাবার। আজকের বিষয় ‘মাশআরে হারাম মসজিদ’। শীর্ষবিন্দু পাঠকদের জন্য এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ‘ইসলাম বিভাগ প্রধান’ ইমাম মাওলানা নুরুর রহমান।


মুজদালিফার ময়দানে একটি ঐতিহাসিক মসজিদ রয়েছে। মুজদালিফায় অবস্থিত একটি অত্যন্ত পবিত্র ঐতিহাসিক মসজিদ। হজ্জের অংশ হিসেবে হাজীরা জিলহজ মাসের ৯ তারিখ দিবাগত রাতে আরাফাত থেকে মুজদালিফায় ফিরে এখানে অবস্থান করেন এবং নামায ও দোয়ায় মগ্ন হন।


নাম মাশআরে হারাম। এটিকে মুজদালিফার মসজিদও বলা হয়। মুজদালিফার কুজা পাহাড়ের নিচে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) অবস্থান করেছিলেন। এর সামনে মুজদালিফা ৫ নম্বর রোডের পাশে মসজিদটি অবস্থিত। প্রায় পনেরো হাজার মুসল্লি একসঙ্গে এখানে নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদের পেছনের দিকে ৩২ মিটার উচুঁ দু’টি মিনার আছে। অনেক দূর থেকে মিনার দু’টি স্পষ্ট দেখা যায়।


‘মাশআরুল হারাম’ একটি পাহাড়ের নাম। এটি মুযদালিফায় অবস্থিত। এখানে একটি মসজিদও আছে। এখানে হাজীদের যা করণীয় তা হলঃ



১. মাশআরুল হারামের নিকট কিবলামুখী হয়ে দাঁড়ানো।


২. তাকবীর বলা।


৩. তাসবীহ-তাহলীল পড়া অর্থাৎ ‘সুবহানাল্লাহ’, ‘আলহাম্দু লিল্লাহ’ এবং ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ পড়া।


৪. যিকর করা।



৫. প্রাণ খুলে আল্লাহ তা‘আলার কাছে দোয়া করা।


৬. খুশু-খুযু ও বিনম্র হয়ে মাবুদের কাছে আপনার যা চাওয়ার আছে তা চেয়ে নেবেন। বিশেষ করে আপনার মাতা-পিতা, স্ত্রী, পুত্র-সন্তানাদি ও আপনজন-আত্মীয়স্বজনের জন্যও দোয়া করবেন।


৭. দোয়ার সময় দু’ হাত উঠিয়ে মুনাজাত করা মুস্তাহাব।


এভাবে ফজরের নামাযের পর থেকে আকাশ ফর্সা হওয়া পর্যন্ত দোয়া করতে থাকা মুস্তাহাব। ভীড়ের কারণে ‘‘মাশআরুল হারাম’’-এর কাছে যেতে না পারলে মুযদালিফার যে কোন স্থানে দাঁড়িয়ে এভাবে দোয়া করবেন।



আরও পড়ুন